ফেলোশিপ বন্ধ : মুদির মাল বইছেন গবেষকরা

ফেলোশিপ বন্ধ : মুদির মাল বইছেন গবেষকরা

নিউজ ডেস্ক:- অতিমারির ক্রমবর্ধমান প্রকোপে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে বিপাকে পড়েছেন পিএইচ ডি স্তরের গবেষকেরাও। এতটাই যে, তাঁদের অনেকে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন, অর্থাভাবে বাড়ি মুদিখানার জিনিসপত্র পৌঁছে দিচ্ছেন কেউ। পাঁচ মাস ধরে ফেলোশিপের টাকা পাচ্ছেন না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৪০০ গবেষক। তাঁদের কেউ শিক্ষাজগতের বাইরে গিয়ে কিছু খুচরো কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।
                    সহ-উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য শনিবার জানান গবেষকদের নিয়োগপত্রে বলা হয়েছিল, বিভিন্ন প্রজেক্টে গত বছরের মার্চ থেকে চলতি বছর মার্চের মধ্যে ফেলোশিপের টাকা দেওয়া হবে। তার পরে, গত ২৭ মার্চ প্রজেক্টগুলির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ায় রুসা। কিন্তু ফেলোশিপ নিয়ে আর কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি এবং টাকাও আসেনি
                  যাদবপুরে রাষ্ট্রীয় উচ্চতর শিক্ষা অভিযান (রুসা) প্রকল্পে যে-ক’জন পিএইচ ডি গবেষক, পোস্ট ডক্টরাল গবেষক এবং রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট রয়েছেন, গত পাঁচ মাস তাঁদের হাতে ফেলোশিপের কোনও টাকা পৌঁছয়নি। বিনা পারিশ্রমিকেই তাঁরা গবেষণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ওখানকার কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে পিএইচ ডি করছেন সুনন্দ বসু। তিনি বলেন, ‘‘প্রজেক্ট ও গবেষণার কাজ চলছে। আমরা কখনও বাড়িতে বসে, কখনও ল্যাবরেটরিতে গিয়ে কাজ করছি। কিন্তু পারিশ্রমিক পাচ্ছি না। অতিমারির মধ্যে নতুন প্রজেক্ট আসা বা নতুন প্রজেক্টে যোগ দেওয়াও সম্ভব নয়।’’
                সুনন্দবাবু জানান, টাকার অভাবে কয়েক জন গবেষক বাধ্য হয়েই শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কহীন খুচরো কাজ নিচ্ছেন। কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জোগান দিচ্ছেন বাড়ি। এর ফলে ভীষণ রকম অবসাদে ভুগছেন গবেষকেরা। বার কর্তৃপক্ষের কাছে দরবার করা হয়েছে।