অনলাইনে কুকিং গ্যাস বুকিং এখন যেন হুকিং

অনলাইনে কুকিং গ্যাস বুকিং এখন যেন হুকিং

কেন্দ্রীয় সরকার এখন ডিজিটাল লেনদেনের উপর জোর দিচ্ছে। গ্যাস সংস্থাগুলিও নানাভাবে গ্রাহকদের উৎসাহ দিচ্ছে অনলাইন পেমেন্টের জন্য। বিপত্তি শুরু হয়েছে এই অনলাইন পেমেন্ট নিয়েও।
    বহু গ্রাহক আগেভাগেই সিলিন্ডারের জন্য পেমেন্ট করে দিচ্ছেন কিন্তু ডেলিভারি ম্যান সেই ব্যাপারে অনেক সময়ই জানেন না। ফলে পেমেন্ট যে আগেই হয়ে গিয়েছে, এই বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রেই অস্বীকার করায় বচসা লাগছে গ্রাহকের সঙ্গে।  
             সিলিন্ডারের জন্য অ্যাডভান্স পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে দু’বার সুযোগ পান গ্রাহক। প্রথমত, যখন তাঁরা সিলিন্ডার বুকিং করেন, তখনই অনলাইনে গ্যাসের পেমেন্ট করার ‘অপশন’ দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে যখন ক্যাশমেমো ‘জেনারেট’ হয়, তখনও গ্রাহকের কাছে অনলাইন পেমেন্টের জন্য অনুরোধ আসে। তেল সংস্থার কর্তারা বলছেন, প্রথমবার যদি তিনি ডিজিটাল পেমেন্ট করেন, তাহলে ক্যাশ মেমো ‘জেনারেট’ হওয়ার সময় তাতে সেই তথ্যের উল্লেখ থাকে। কিন্তু যখন ক্যাশ মেমো জেনারেট করা হয়, তখন যদি গ্রাহক অনলাইন পেমেন্ট করেন, তাহলে তা ক্যাশ মেমোয় লেখা থাকে না। ওই রসিদ নিয়ে যখন ডেলিভারি ম্যান সিলিন্ডার পৌঁছে দেন, তখন স্বাভাবিক কারণেই তিনি গ্রাহকের কাছে গ্যাসের দাম বাবদ টাকা দাবি করেন। আর তাতেই শুরু হয় বচসা। গ্রাহক দাবি করেন, তিনি পেমেন্ট করে দিয়েছেন। ডেলিভারি ম্যান জানান, তাঁর কাছে এমন কোনও তথ্য নেই! 
        অল ইন্ডিয়া এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর্স ফেডারেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট    বিজনবিহারী বিশ্বাস বলেন, আমরা ডিলারদের থেকে বহুবার অভিযোগ পেয়েছি, যে গ্রাহক একই সিলিন্ডারের জন্য একবার ডিজিটাল পেমেন্ট করেছেন, আবার ডেলিভারি ম্যানের সঙ্গে বচসা এড়াতে নগদে পেমেন্ট করেছেন। পরবর্তীকালে তাঁরা ডিলারের অফিসে এসে সেই টাকা ফেরত নিয়ে গিয়েছেন। সিলিন্ডারের বুকিং ও দাম নিয়ে যদি তাঁদের এই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়, তাহলে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।